আজকাল অনলাইনে লোন নেয়ার জন্য বিভিন্ন এ্যাপ দেখা যায়। এসব এ্যাপ্লিকেশন বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ঋণদাতা সংস্থার পক্ষ থেকে লঞ্চ করা হয়।
ব্যাংকের পক্ষ থেকে এসব এ্যাপ লঞ্চ করার কারণ হচ্ছে,
১। বিজনেস ক্যাপচার করা,
২। লোনের ব্যাপারে গ্রাহককে ব্যাংকে আসার ঝক্কি যাতে না পোহাতে হয়,
৩। খুব কম সময়ে ঋণ মঞ্জুর করা।
পাশাপাশি এ ধরণের লোন এ্যাপের অনুকরণে, বিভিন্ন লোন এ্যাপ দেখা যাবে, যেগুলো লঞ্চ করা হয়েছে লোক কে প্রতারণা করার জন্য।
প্রশ্নে বলা হয়েছে, "লোন পেতে আবেদনের পরে সদস্য ফি চাওয়া হয়"…
ঋণ নেয়ার জন্য মেম্বারশিপ নেয়ার কোনো প্রশ্নই নেই। কারণ, ঋণ যাঁকে মঞ্জুর করা হবে, তাঁর পরিচয় পত্র, ঠিকানা, পেশা, ইত্যাদি প্রয়োজন। টাকা নিয়ে মেম্বারশিপ দেয়ার কোনো ব্যাপারই নেই। এরকম মেম্বারশিপ নেয়ার পদ্ধতিটি দেখা যায় কিছু কিছু এমন সব সংস্থা, যাঁদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নেই এবং এদের থেকে লোন নেয়া মানেই বিপদে পড়া। যা খুশী তা সুদের হার, বিভিন্ন খাতে চার্জ, ফী এসব।
লোন এ্যাপের মাধ্যমে লোন নিলে দেখার বিষয়,
১। এ্যাপ টি কাদের পক্ষ থেকে লঞ্চ করা হয়েছে,
২। যাঁরা লঞ্চ করেছেন, তাঁদের অফিস, স্থায়ী ঠিকানা, যোগাযোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে কী না। অর্থাৎ, তাঁদের physical existence রয়েছে কী না,
৩। লোনের শর্তাবলীর বিস্তৃত উল্লেখ।
সুতরাং, নির্ভরযোগ্য কী না, সেটা নিশ্চিত হতে হলে, উপরের বিষয়গুলি বিবেচনা করলে ভালো হবে।
অস্তিত্বহীন এ্যাপ লঞ্চার এর ফাঁদে পা দিলে, নিজের অস্তিত্ব সংকটময় পরিস্থিতিতে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
