নিরাপদ থাকুক ফেসবুক
অনেকেই ফেসবুকের সিকিউরিটি ফিচারগুলো ব্যবহার করে না এবং স্পাম বা ফিশিং লিংকে গিয়ে তথ্য দেয়। ফলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হয় এবং হয়রানি, ব্ল্যাকমেইল, অনলাইন ফ্রডের শিকার হয়। ফেসবুক নিরাপদ রাখার কিছু উপায় হচ্ছে :
♦ টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন অন রাখা।
♦ অ্যাকাউন্টের ই-মেইল, মোবাইল নম্বর ও জন্মতারিখের (মাস, তারিখ, সাল) প্রাইভেসি অনলি মি রাখা।
♦ অপরিচিত মানুষের অ্যাকাউন্টে অ্যাড না রাখা, প্রয়োজনে অ্যাকাউন্ট লক রাখা। প্রয়োজনে পোস্ট প্রাইভেসি ফ্রেন্ডস রাখা।
♦ ব্যক্তিগত ছবি আদান-প্রদান থেকে দূরে থাকা।
♦ নিরাপদ নয় এমন কোনো লিংকে ক্লিক না করা। ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করা।যেমন—নতুন এনআইডি পেয়ে বা পাসপোর্ট পেয়ে সেগুলোর ছবি পোস্ট করা, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের ছবি শেয়ার করা ইত্যাদি।
♦ ইনবক্সে বা কোথাও কোনো লিংকে যাচাই-বাছাই না করে ক্লিক করলে এবং সেটা ফিশিং লিংক হলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
♦ মানুষ যখন কোথাও বেড়াতে যায়, বাসায় কিংবা বাইরে নানা রকম প্রগ্রামে অংশ নেয় তখন ছবি পোস্ট করে। এর মাধ্যমে অপরাধীরা আপনার চালচলন, গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে আপনার ক্ষতি করতে পারে। সে ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট লক রাখা অথবা অচেনা কাউকে আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে অ্যাড না করা ভালো। প্রয়োজনে পোস্ট প্রাইভেসি ফ্রেন্ডস করে রাখা ভালো।
কে আসল কে নকল
ফেক আইডি চেনার উপায় কী? পলাশ বলেন, ফেক আইডি চেনার উপায় হলো আইডিতে ছবি না থাকা, বেসিক আইডেনটিটি না থাকা, ফেক বা ভুয়া নাম ব্যবহার করা।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ
আপনি চাইছেন আপনার সমস্যার কথা সরাসরি ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জানাবেন। ভাবছেন, এও কি সম্ভব? বাংলাদেশে ফেসবুকের কোনো অফিস নেই। তবে ফেসবুক লাইভ সাপোর্টের মাধ্যমে যে কেউ ফেসবুকের এজেন্টের সঙ্গে তার সমস্যা নিয়ে যোগাযোগ করতে পারে।
*******